SuperCash APK

Find Here your Favorite Games, Apps, Apk, WP theme, Free Hosting And More

আবু দাঊদ শরীফ ১ থেকে ৫ খন্ড
আবু দাঊদ শরীফ ১ থেকে ৫ খন্ড

আবু দাঊদ শরীফ ১ থেকে ৫ খন্ড PDF বই – Abu Daud PDF

kowmi pdf book

আবু দাঊদ শরীফ ১ থেকে ৫ খন্ড PDF বই ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ইলমে হাদীছ সংক্ষিপ্ত পর্যালােচনা যাবতীয় প্রশংসা বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহ তাআলার জন্য। সালাত ও সালাম তাঁর | প্রিয় হাবীব মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (স)-এর উপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের উপরও আল্লাহর অনুগ্রহ বর্ষিত হােক। হাদীছ মুসলিম মিল্লাতের এক অমূল্য সম্পদ, ইসলামী শরীআতের অপরিহার্য উৎস এবং ইসলামী জীবন বিধানের অন্যতম মূল ভিত্তি। কুরআন মজীপ যেখানে ইসলামী জীবন ব্যবস্থার মৌলনীতি পেশ করে, হাদীছ সেখানে এই মৌলনীতির বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও তা বাস্তবায়নের কার্যকর পন্থা বলে দেয়। কুরআন ইসলামের প্রদীপ স্তম্ভ, হাদীছ তার বিচ্ছুরিত আলাে। আবু দাঊদ শরীফ ১ থেকে ৫ খন্ড PDF বই ডাউনলোড করুন ইসলামী জ্ঞান বিজ্ঞানে কুরআন যেন হৃৎপিন্ড, আর হাদীছ এই হৃৎপিন্ডের সাথে সংযুক্ত ধমনী। তা জ্ঞানের বিশাল ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত তাজা তপ্ত শােণিতধারা প্রবাহিত করে এর অংগ-প্রত্যংগকে অব্যাহতভাবে সতেজ ও সক্রিয় রাখে। হাদীছ একদিকে যেমন আল-কুরআনুল আযীমের নির্ভুল | ব্যাখ্যা দান করে, অনুরূপভাবে তা পেশ করে কুরআনের ধারক ও বাহক মহানবী (স)-এর পবিত্র জীবন চরিত, কর্মনীতি ও আদর্শ এবং তাঁর কথা ও কাজ, হিদায়াত ও উপদেশের বিস্তারিত বিবরণ। এজন্যই ইসলামী জীবন বিধানে কুরআনে হাকীমের পরপরই হাদীছের স্থান।

Download All Islamic PDF Book Link Here

ধন্যবাদ বইটি ডাউনলোড করার জন্য আপনার যদি এই আবু দাঊদ শরীফ ১ থেকে ৫ খন্ড PDF বই – Abu Daud bangla PDF Book টি ভালো লাগে তাহলে আমার অনুরোধ রইলো এই ওয়েবসাইট এর একটি ads এ ক্লিক করুন তাহলে আমার সম্মানো উপকার হবে।ধন্যবাদ ওয়েবসাইট টি ভিজিট করার জন্য।

আবু দাঊদ শরীফ ১ থেকে ৫ খন্ড PDF বই ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ডাউনলোড করুন

আল্লাহ তাআলা জিবরাঈল আমীনের মাধ্যমে মহানবী (স)-এর উপর যে ওহী নাযিল করেছেন- তাই হচ্ছে হাদীছের মূল উৎস। ওহী-র শাব্দিক অর্থ- ইশারা করা, গােপনে অপরের সাথে কথা বলা (উমদাতুল-কারী, ১ম খন্ড, পৃ.১৪)। ওহীলব্ধ জ্ঞান দুই প্রকার। প্রথম প্রকার | মৌল জ্ঞান- যা প্রত্যক্ষ ওহী-র মাধ্যমে প্রাপ্ত যার নাম ‘কিতাবুল্লাহ বা ‘আল-কুরআন’। এর ভাব ও ভাষা উভয়ই আল্লাহর রাসূলুল্লাহ (স) তা হুবহু আল্লাহর ভাষায় প্রকাশ করেছেন। দ্বিতীয় প্রকারের আন- যা প্রথম প্রকারের জ্ঞানের ভাষ্য এবং যা পরােক্ষ ওহী মাধ্যমে প্রাপ্ত, এর নাম ‘সুন্নাহ বা ‘আল-হাদীছ। এর তাৰ আল্লাহর, কিন্তু নবী করীম (স) তা নিজের ভাষায়, নিজের কথায় এবং নিজের কাজ ও সম্মতির মাধ্যমে ব্যক্ত করেছেন। প্রথম প্রকারের ওহী রাসূলুল্লাহ (স)-এর উপর সরাসরি নাযিল হত এবং তাঁর কাছে উপস্থিত লােকেরা তা উপলব্ধি করতে পারত। কিন্তু দ্বিতীয় প্রকারের ওহী তাঁর উপর প্রভাবে নলি হত এবং অন্যরা তা উপলব্ধি করতে পারত না। আখিরী নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (স) কুরআনের ধারক ও বাহক, কুরআন তাঁর উপরই নাযিল হয়। আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবে মানব জাতিকে একটি আদর্শ অনুসরণের ও অনেক বিধিবিধান পালনের নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু তা বাস্তবায়নের বিস্তারিত বিবরণ পান করেন নি। তিনি এর ভার ন্যস্ত করেছেন রাসূলুল্লাহ (স)-এর উপর। তিনি নিজের কথা, কাজ ও আচার-আচরণের মাধ্যমে কুরআনের আদর্শ ও বিধান বাস্তবায়নের পন্থা ও নিয়ম-কানুন বলে

আবু দাঊদ শরীফ ১ থেকে ৫ খন্ড

দিয়েছেন। কুরআনকে কেন্দ্র করেই তিনি ইসলামের এক পূর্ণাঙ্গ জীবনাদর্শ ও জীবন বিধান পেশ করেছেন। অন্য কথায়, কুরআন মজীদের শিক্ষা ও নির্দেশসমূহ ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কার্যকর করার জন্য মহানবী (স) যে পন্থা অবলম্বন করেছেন- তাই হচ্ছে হাদীছ। হাদীছও যে ওহীর সূত্রে প্রাপ্ত এবং তা শরীআতের মৌল বিধান পেশ করে তার প্রমাণ কুরআন ও মহানবী (স)-এর বাণীর মধ্যেই বর্তমান রয়েছে। মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় নবী সম্পর্কে বলেনঃ
وما ينطق عن الهوى – ان هو الا وحی یوحی –
“তিনি নবী) নিজের ইচ্ছামত কোন কথা বলেন না, যা কিছু বলেন তা সবই আল্লাহর ওহী– (সূরা নাজম ঃ ৩, ৪)।

ولو تقول علينا بعض الأقاويل لأخذنا منه باليمين . ثم لقطعنا منه الوتين –
“তিনি (নবী) যদি নিজে রচনা করে কোন কথা আমাদের নামে চালিয়ে দিতেন। তবে আমরা তার ডান হাত ধরে ফেলতাম এবং তার কণ্ঠনালী জি করে ফেলতাম- সূরা আল-হাক্কাহঃ ৪৪-৪৬)। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ “রূহল কুদুস (জিবরাঈল) আমার মানসপটে এ কথা ফুকে দিলেননির্ধারিত পরিমাণ রিযিক পূর্ণ মাত্রায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত এবং নির্দিষ্ট আয়ুষ্কাল শেষ হওয়ার পূর্বে কোন প্রাণীই মরতে পারে না”- বায়হাকী, শারহুস সুন্নাহ। আমার নিকট জিবরাঈল (আ) এলেন এবং আমার সাহাবীগণকে উচ্চস্বরে তাকবীর ও তাহলীল বলতে আদেশ করার জন্য আমাকে নির্দেশ দিলেন”- (নাইলুল আওতার, ৫ম খন্ড, পৃষ্ঠা ৫৬)। “জেনে রাখ, আমাকে কুরআন দেয়া হয়েছে এবং তার সাথে দেয়া হয়েছে এর অনুরূপ আরও একটি জিনিস- (আবু | দাউদ, ইবন মাজা, দারিমী)। রাসূলুল্লাহ (স)-এর আনুগত্য করার জন্য আল্লাহ পাক আমাদের নিস্রোক্ত ভাষায় নির্দেশ দিয়েছেনঃ
وما اتاكم الرسول نخوه وما نهاكم عنه فانتهوا .
“রাসুল তােমাদের যা কিছু দেন তা গ্রহণ কর এবং যা করতে নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক= (সূরা হাশর : ৭)। * হাদীছ অধ্যয়নের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আল্লামা বদরুদ্দীন আল-আয়নী (রহ) লিখেছেন, “দুনিয়া ও আখিরাতের পরম কল্যাণ লাভই হচ্ছে ইলমে হাদীছ অধ্যয়নের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য।” আল্লামা কিরমানী (রহ) লিখেছেন, “কুরআনের পর সকল প্রকার জ্ঞানের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, সর্বোত্তম এবং তথ্য ও তত্ত্ব সমৃদ্ধ সম্পদ হচ্ছে হাদীছ। কারণ এই জ্ঞানের সাহায্যেই আল্লাহর কালামের লক্ষ্য ও তাৎপর্য জানা যায় এবং তাঁর হুকুম-আহকামের উদ্দেশ্য অনুধাবন করা যায়।” হাদীছের পরিচয় | শাব্দিক অর্থে হাদীছ (৯) মানে কথা, প্রাচীন ও পুরাতন-এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যেসব কথা, কাজ ও বস্তু পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে।

  • ইমাম আবু দাউদ জীবনী
  • সুনানে নাসাঈ শরীফ pdf
  • তিরমিযি শরীফ pdf download
  • ইবনে মাজাহ pdf
  • সুনান আদ দারা কুতনী
  • সুনানে দারেমী pdf download
  • সুনানে নাসায়ী pdf download
  • তিরমিজি শরীফ pdf
  • সহীহ তিরমিযী pdf
  • জামে আত তিরমিযী
  • ইবনে মাজাহ
  • দরসে ইবনে মাজাহ pdf
  • দারসে হাদিস হামিদা পারভিন
  • ইমাম নাসাঈ এর জীবনী
  • ইমাম ইবনে মাজাহ
  • ইমাম তিরমিযীর জীবনী
  • ইমাম আবু জাফর আত তাহাবী এর জীবনী
  • ইমাম মুসলিম রহ এর জীবনী
  • সুনানে নাসাই

Abu daud Sharif 1 – 5 Part pdf bok Download Link

তাই হাদীছ। ফকীহগণের পরিভাষায় মহানবী (স) আল্লাহর মনােনীত রাসূল হিসাবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা ছুি বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীছ বলে কিন্তু মুহাদ্দিছগণ এর সংগে রাসূলুল্লাহ (স) সম্পর্কিত বর্ণনা ও তাঁর গুণাবলী সম্পর্কিত | বিবরণকেও হাদীছের অন্তর্ভুক্ত করেন। হাদীছকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়ঃ কাওলী হাদীছ, ফেলী হাদীছ ও তাকরীরী হাদীহ। | প্রথমত, কোন বিষয়ে রাসূলুল্লাহ্ (স) যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীছে তাঁর কোন কথা বিধৃত হয়েছে তাকে কাওলী (বাচনিক) হাদীছ বলে। দ্বিতীয়ত, মহানবী (স)-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধিবিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীছে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লিখিত হয়েছে তাকে ফেণী (কর্মমূলক) হাদীছ বলে।’ তৃতীয়ত, সাহাবীগণের যেসব কথা ও কাজ মহানবী (স)-এর অনুমােদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীআতের দৃষ্টিভংগী আনা যায়। অতএব যে হাদীছে, এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থনমূলক) হাদীছ বলে। হাদীছের অপর নাম সুনাহ (-)। সুন্নাহ শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি।

সুনানে আবু দাউদ শরীফ ডাউনলোড করুন।

যে পন্থা ও রীতি মহানবী (স) অবলম্বন করতেন তাই সুন্নাতুন-নবী (স)। অন্য কথায় রাসূলুল্লাহ (স) কর্তৃক প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাহ্। কুরআন মজীদে মহােত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ(sis) বলতে এই সুন্নাহকেই বুঝানাে হয়েছে। ফিকহ-এর পরিভাষায় সুন্নত বলতে ফরয ও ওয়াজিব ব্যতীত ইবাদতরূপে যা করা হয় তা বুঝায়, যেমন সুন্নাত সালাত। হাদীছকে আরবী ভাষায় খবর (৮)-ও বলা হয়। তবে খবর শব্দটি যুগপৎভাবে হাদীছ ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়। আছার (১) শব্দটিও কখনও কখনও রাসূলুল্লাহ (স)-এর হাদীছ নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীছ ও আছার-এর মধ্যে পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে সাহাবীদের থেকে শরীআত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আমার বলে। তবে এ ব্যাপারে সবাই একমত যে, শরীআত সম্পর্কে সাহাবীদের নিজস্বভাবে কোন বিধান দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না। কাজেই এ ব্যাপারে তাদের উদ্ধৃতিসমূহ মূলতঃ রাসুল্লাহ (স)-এর উতি। কিন্তু কোন কারণে শুরুতে তীরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর নাম উল্লেখ করেন নি। উসুলে হাদীছের পরিভাষায় এসব আছারকে কলা হয় ‘মাওকুফ হাদীছ। ইলমে হাদীছের কতিপয় পরিভাষা সাহাৰী : যে ব্যক্তি ঈমানের সংগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের সাহচর্য

  1. আল-ফায়যুল কাসীর শরহে আল-ফাওযুল কাবীর পিডিএফ বই
  2. আল-ফিকহুল মুয়াসসার বাংলা পিডিএফ বই
  3. আল-ফাউযুল কবীর ফী উসুলিত তাফসীর পিডিএফ বই
  4. আল কামূসুল জাদীদ PDF বই
  5. আল ইফাদাত শরহে মিরকাত পিডিএফ বই
  6. আরবী কী লিখব কীভাবে লিখবো PDF বই

ইমাম আবু দাউদ জীবনী

লাভ করেছেন বা তাঁকে দেখেছেন ও তাঁর একটি হাদীছ বর্ণনা করেছেন, অথবা জীবনে একবার তাঁকে দেখেছেন এবং ঈমানের সংগে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সাহাবী তাবিঈ : যিনি রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীছ শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসাবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকেতাবিদ বলে। মুহাদ্দিছ : যে ব্যক্তি হাদীছ চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীছের সনদ ও মতন সম্পর্কে | বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিছ (৩২) বলে। | শায়খ । হাদীছের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলে। শায়খায়ন। সাহাবীদের মধ্যে আবু বাক্স ও উমার (রা)-কে একত্রে শায়খায়ন বলা হয়। কিন্তু হাদীছ শাস্ত্রে ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম (রহ)-কে এবং ফিক্‌হ-এর পরিভাষায় ইমাম আবু হানীফা ও আবু ইউসুফ (রহ-কে একত্রে শায়থায়ন বলা হয়। | হাফিজ। যিনি সনদ ও মতনের সমস্ত বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীছ আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিজ বলে। .. হুজ্জাত : একইভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীছ আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত (৩০) বলে। হাকিম : যিনি সমস্ত হাদীছ আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাকিম (২৬) বলে।। রিজাল হাদীছের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলে। রিওয়ায়াত : হাদীছ বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত (a) বলে। কখনও কখনও মূল হাদীছকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন, এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীছ) আছে। সনদ । হাদীছের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরস্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ (১৯বলে। এতে হাদীছ বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে। মতন : হাদীছের মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মন (০২) বলে। মারফু যে হাদীছের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসূলুল্লাহ (স) পর্যন্ত পৌছেছে, অর্থাৎ যে সনদের ধারাবাহিকতা রাসূলুল্লাহ (স) থেকে হাদীছ গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত সুরক্ষিত আছে এবং মাঝখান থেকে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি তাকে মারফু (১) হাদীছ বলে। | মাওকুফঃ যে হাদীছের বর্ণনা-সূত্র উর্ধদিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে, অর্থাৎ যে সনদ সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমােদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকুফ (4) হাদীছ বলে। এর অপর নাম আছার (১)। | মাকতু : যে হাদীছের সনদ কোন তাবিঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে-তাকে মাকতু হাদীছ

How to Download Abu Daud Sharif PDF Book Bangla

আবু দাঊদ শরীফ ১ থেকে ৫ খন্ড PDF
আবু দাঊদ শরীফ ১ থেকে ৫ খন্ড PDF Download Now

আবু দাউদ শরীফ ১ম-৫ম খণ্ড ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

তা’লীক । কোন কোন গ্রন্থকার কোন হাদীছের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল। হাদীছটিই বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তাক (kale) বলে। কখনাে কখনাে তাপীকরূপে বর্ণিত হাদীছকেও ‘তালীক’ বলে। ইমাম বুখারী (রহ)-এর সহীহ গ্রন্থে এরূপ বহু ‘ালীক রয়েছে। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা গিয়েছে যে, বুখারীর সমস্ত তালীকেই মুস্তাসিল সনদ রয়েছে। অপর সংকলনকারীগণ এই সমস্ত তালীক মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন। মুদাল্লাস যে হাদীছের রাবী নিজের প্রকৃত শায়খের (উস্তাদের নাম উল্লেখ না করে তার উপর শায়খের নামে এভাবে হাদীছ বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপর শায়খের নিকট তা শুনেছেন, অথচ তিনি তার নিকট সেই হাদীছ শুনেন নাই- সে হাদীছকে হাদীছে মুদাল্লাস (-) বলে এবং এইরূপ করাকে ‘তাদশীস বলে। আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদাল্লিস বলে। মুদল্লিসের হাদীছ গ্রহণযােগ্য নয়’ যে পর্যন্ত না একথা নিশ্চিতরূপে আনা যায় যে, তিনি একমাত্র ছিকাহ রাবী থেকেই দলীস করেন অথবা তিনি আপন শায়খের নিকট শুনেছেন বলে পরিষ্কারভাবে বলে দেন। মুতারাব ঃ যে হাদীছের রাবী হাদীছের মতন বা সনদকে বিভিন্ন প্রকারে গােলমাল করে বর্ণনা করেছেন সে হাদীছকে হাদীছে মুতারাব (২ ) বলে। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সময় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই সম্পর্কে তাওয়াফ (অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যাবেনা।

মুদয; যে হাদীছের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে প্রক্ষেপ করেছেন- সে হাদীছকে মুদ্রাজ (১৬ – প্রক্ষিপ্ত) বলে এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ (!) বলে। ইদ্রাজ হারাম। অবশ্য যদি এ দ্বারা কোন শব্দ বা বাক্যের অর্থ প্রকাশ হয় এবং একে মুদরাজ বলে সহজে বুঝা যায়, তবে দূষণীয় নয়। মুত্তাসিল : যে হাদীছের সনদের ধারাবাহিকতা উপর থেকে নীচ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে, কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি তাকে মুত্তাসিল (৩) হাদীছ বলে। মুনকাতি : যে হাদীছের সনদের ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয়নি, মাঝখানের কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে তাকে মুনকাতি হাদীছ বলে। আর এই বাদ পড়াকে বলে ‘ইনকিতা’। মুরসাল যে হাদীছের সনদের ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবিঈ সরাসরি রাসূলুল্লাহ (স)-এর উল্লেখ করে হাদীছ বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীছ বলে মুতাবি ও শাহিদ। এক রাবীর হাদীছের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীছ পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীছটিকে প্রথম রাবীর হাদীছটির মুতাবি বলে- যদি উভয়

NameDownload
Abu Daud 1 PartDownload Link
Abu Daud 2 Part Download Link
Abu Daud 3 PartDownload Link
Abu Daud 4 PartDownload Link
Abu Daud 5 Part Download Link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

';

MY NEW STORIES